← ইবাদত
হজের ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাতসমূহ
পাঠ 6
হজের ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত
হজের ফরজসমূহ (قُرْآنُ الْحَجِّ)
হজের ফরজ তিনটি
- হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধা;
- আরাফার ময়দানে ৯ই জিলহজ তারিখে অবস্থান (ওকুফ) করা;
- তাওয়াফে যিয়ারত করা (অর্থাৎ ১০ই জিলহজ থেকে শুরু করে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোনো সময় কাবা শরিফ তাওয়াফ করা)
হজের ওয়াজিবসমূহ (وَاجِبَاتُ الْحَجِّ)
হজের ওয়াজিব ছয়টি
- আরাফার ময়দান হতে প্রত্যাবর্তনের সময় মুযদালিফায় রাত্রি যাপন করা।
- ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ শয়তানকে জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা।
- সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝখানে দৌড়ানো বা সাঈ করা।
- কুরবানি করা।
- মাথা মুড়ানো বা চুল ছাঁটা।
- তাওয়াফে বিদা অর্থাৎ মক্কার বাইরে থেকে আগত হাজিদের জন্য বিদায়কালীন তাওয়াফ করা। একে তাওয়াফুল বিদা (বিদায়ি তাওয়াফও) বলে।
হজের সুন্নতসমূহ (سُنَنُ الْحَجِّ)
হজের অনেক সুন্নত রয়েছে। নিচে কয়েকটি সুন্নত উল্লেখ করা হলো।
- বহিরাগতদের জন্য তাওয়াফে কুদুম (আগমনি তাওয়াফ) করা।
- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করা।
- জিলহজ মাসের ৭ তারিখে ইমামের মক্কায় হজ সম্পর্কে খুতবা প্রদান করা। ৯ তারিখে আরাফায় দ্বিপ্রহরের পর খুতবা প্রদান করা। একাদশ তারিখে মিনায় খুতবা দেওয়া।
- ৮ই জিলহজ মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করা, মিনায় উপস্থিত হয়ে যোহর থেকে ৯ই জিলহজের ফজর পর্যন্ত অবস্থান করে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা।
- ৯ই জিলহজে সূর্য ওঠার পর মিনা থেকে আরাফার দিকে রওয়ানা করা।
- সম্ভব হলে আরাফাতে গোসল করা।
১০২৬
৩৮
ইসলাম শিক্ষা
৭. ইহরাম বাঁধার আগে গোসল করা । ৮. মুযদালিফায় রাত কাটানোর পর ফজরের নামায আদায় করে সূর্য উদয়ের পূর্বে মিনার দিকে রওয়ানা করা । ৯. জিলহজ মাসের ১১, ১২ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ (রাশি) এর জন্য মিনাতে রাতযাপন করা । ১০. জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে ক্রমধারা ঠিক রেখে কঙ্কর নিক্ষেপ করা ।
কাজ : শিক্ষার্থীরা হজের ফরজ, ওয়াজিব বা সুন্নতগুলো পোস্টারে লিখে শ্রেণিতে উপস্থাপন করবে ।